কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান অনেক রয়েছে। বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় এবং দর্শনীয় স্থান
হোল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। এখানে গেলে সমুদ্রের ধারে বালির উপরে
হাটা,পড়ন্ত বিকেলে ছবি তোলা, আপনাকে মুগ্ধ করবে।
আজকের এই ব্লগে বা আর্টিকেলটিতে আমরা কক্সবাজারের সেরা দর্শনীয় স্থানগুলি
সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো, এবং বিভিন্ন গাইডলাইন বা তথ্য শেয়ার করব । যেগুলো না
জানা থাকলে আপনার ভ্রমণ করতে সমস্যা হবে । আজকের এই টিপসগুলো আপনার জানা
থাকলে আপনি ঠকবেন না এবং কোন বিপদে পড়বেন না । সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ করতে হলে
বেশ কিছু বিষয়ে আগে থেকে জানা থাকলে আপনি খুব সুন্দর গোছানোভাবে আপনার ভ্রমণটি
উপভোগ করতে পারবেন ।
এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রিসোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ,কোন রিসোর্ট এর
কিরকম দাম , এগুলো সম্পর্কে জানাবো সমুদ্রতে নামার আগে বিভিন্ন সতর্কতা জানাবো আর
বেশি দেরি না করে আজকের ব্লগটি শুরু করা যাক । সবাই শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি
পড়বেন আজকে আমরা এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান অনেক রয়েছে । আজকে আমরা সেরা এবং জনপ্রিয়
দর্শনের স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো । কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের
সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাড়ে বসে থেকে, সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করা খুবই আনন্দের ।
এখানে চারিপাশে অনেক বালু । এই বালুতে হাঁটতে খুবই মজা লাগে । এখানে
ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে সময় টাকে খুবই উপভোগ করা যায় এবং মনটা ভালো হয়ে যায়
। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আসল আনন্দ নিতে হলে অবশ্যই সকালে অথবা বিকালে
এখানে যেতে হবে ।
সকালে এবং বিকালে ছবিগুলো খুবই ভালো হয় । যা স্মৃতি হিসেবে দেখতে ভালো লাগে ।
সমুদ্র সৈকতের পাড়ে বসে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ দেখতে খুবই ভালো লাগে। বিকেলে
সমুদ্র তীরে বসে সূর্যকে ডুবে যেতে দেখার যে মুহূর্তটা এটা খুবই মনোমুগ্ধকর সেই
সাথে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এবং বাতাস। কক্সবাজার এ অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে
এগুলো সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক সবাই মনোযোগ দিয়ে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত
পড়বেন।
হিমছড়ি ভিউ পয়েন্ট ও হিমছড়ি ঝরনা
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর একটি অন্যতম আকর্ষণ হল হিমছড়ি ভিউ পয়েন্ট ও
হিমছড়ি ঝর্ণা। এখান থেকে অর্থাৎ হিমছড়ি ভিউ পয়েন্ট থেকে পাহাড় মনো মুগ্ধকর বন
এবং বঙ্গোপসাগর একই সাথে উপভোগ করা যায়।
উঁচু পাহাড়ের উপর থেকে একই সাথে সমুদ্র ,মেরিন ড্রাইভ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
একই সাথে দেখা যায় । এখানকার পরিবেশ খুবই সুন্দর এবং ছবি তোলার জন্য উপযুক্ত
এখানকার সৌন্দর্য অতুলনীয় সুন্দর হিমছড়ি ভিউ পয়েন্ট থেকে একই সাথে সমুদ্র
খুবই ভালোভাবে দেখা যায় এবং এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যরা পৌঁছাতেই মনোমুগ্ধকর
দেখায়।
হিমছড়ি ঝর্ণাতে বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি পানির প্রবাহ দেখা যায় যার ফলে
এটির সৌন্দর্য অন্যান্য ঋতুর তুলনায় বর্ষা করলে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় এবং
অতুলনীয় সুন্দর দেখায় এছাড়া অন্যান্য ঋতুতেও এটি অত্যন্ত মুগ্ধকর। ঝরনাতে
অবশ্যই ছবি তুলে বা ভিডিও করে রাখা উচিত আপনার অভিজ্ঞতাকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে
যেতে পারে।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান
হচ্ছে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক । এটি বাংলাদেশের প্রথম সাহারি পার্ক । এটি
কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত । এটি প্রায় নয় বর্গ কিলোমিটার এলাকার
জুড়ে বিস্তৃত । ডুলাহাজারা সাফারি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
এখানে প্রায় ১৬৫ প্রজাতির প্রায় চার হাজার এরও বেশি প্রাণী রয়েছে ।
প্রধান আকর্ষণঃ
এশীয় হাতি
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
সিংহ
জিরাফ
কুমির
জলহস্তী
বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ
ভাল্লুক
উট
রামু বৌদ্ধ বিহার
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে রামু বৌদ্ধ বিহার অন্যতম । রামু বৌদ্ধ
বিহার কক্সবাজার জেলায় রামু উপজেলায় অবস্থিত । বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ
বদ্ধ ও ধর্মীয় ঐতিহাসিক পর্যটন এলাকা । এখানে প্রায় ৩৫ টির বেশি
বদ্ধমন্দির রয়েছে , যা শতাব্দীর পর শতাব্দি ধরে বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক
হিসেবে চলে আসছে ।
প্রধান আকর্ষণঃ
রামুর অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ বিহার
বাংলাদেশের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহার গুলোর একটি হিসেবে পরিচিত এটি পাহাড়
ও বনজঙ্গল বেষ্টিত মনোরম পরিবেশে অবস্থিত
সুন্দর এবং শান্ত পরিবেশের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়
বিশাল মধ্যমূর্তি ও ধর্মীয় পরিবেশ দর্শনার্থীদের আকর্ষিত করে
রামু বৌদ্ধ বিহার অক্টোবর থেকে মার্চ মাসে ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময় । কারণ এ সময়
আবহাওয়া আরামদায়ক থাকে তাই ঘোরাঘুরির জন্য এটি সবচেয়ে ভালো সময় ।
ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম অন্যতম ।
বাংলাদেশের বনাঞ্চল অনেক রকমের বন্যপ্রাণীর সমন্বয়ে ভারসাম্য করে রয়েছে ।
জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ , বানর, সজারু, হনুমান, টিয়া ,প্যাঁচা,
বিভিন্ন প্রকার পাখি, সাপ, কচ্ছপ প্রভৃতি বিরল বন্যপ্রাণী বিচরণে
বাংলার বনাঞ্চল ও প্রকৃতি বিশেষজ্ঞগণ ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম টি স্থাপন
করেছে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়তি চাহিদা মেটাতে গিয়ে অনেক বনাঞ্চল
রূপান্তরিত হয়েছে শিল্প কারখানা বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে । কোথাও কোথাও
বনাঞ্চল গড়ে উঠেছে স্কুল, কলেজ, হাটবাজার ইত্যাদি। এমন পরিস্থিতিতে আবাসস্থলে
ধ্বংস হয়ে গ্রামীণ ও পাহাড়ি বন জঙ্গল হতে অনেক বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
প্রাকৃতিক বনাঞ্চলেও বন্যপ্রাণী অনেক কমে গিয়েছে।
১৯৬০ সালে কক্সবাজারের বনাঞ্চল হতে রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে ।
মিঠা পানির কুমির সুন্দরবন হতে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। বন্যপ্রাণী আমাদের পরিবেশের
অংশ । বর্তমানে বা ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নির্মাণ
আমাদের প্রয়োজন। তাই বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ
সৃষ্টির লক্ষ্যে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম স্থাপন করা হয় । এটি বাংলাদেশের
প্রথম বন্যপ্রাণী মিউজিয়াম । এটি দোলাহাজরা সাফারি পার্কের গেটের পাশে অবস্থিত
।
পরিদর্শন ফি বা টিকিট মূল্যঃ
প্রাপ্ত বয়স্ক (১৫ বৎসরের উর্ধে) ১০ টাকা
ছাত্র-ছাত্রী (১৫ বৎসরের নীচে) ৫ টাকা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থী গ্রুপ: (৩০-১০০জন) ১০০ টাকা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থী গ্রুপ: (১০০জনের উর্ধে) ২০০
টাকা
বিদেশী পর্যটক: ৪ ইউ এস ডলারের সমপরিমাণ বাংলাদেশী টাকাই
মিনিবাসে পরিভ্রমণ: ২০ টাকা
প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন: ১০ টাকা
ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম পরিদর্শন: ৫ টাকা
ব্যক্তিগত পরিবহনে পার্ক পরিদর্শন: ৫০ টাকা
গাড়ী পার্কিং ফি: ক) বাস প্রতিটি- ২৫ টাকা। খ) কার/ মাইক্রোবাস-১৫
টাকা
এখানে পরিদর্শন করতে হলে আপনাকে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারবেন
। এর বাইরে যেমনঃ রাত্রে আপনি এখানে ভ্রমণ করতে পারবেন না । ভ্রমণের
অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হলে আপনাকে নির্ধারিত সময়ে সেখানে যেতে হবে ।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হল সেন্টমার্টিন দ্বীপ ।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ । এটি বাংলাদেশের
সর্ববৃহৎ দ্বীপ এটির অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে। এটি বে অফ বেঙ্গল এ
অবস্থিত রয়েছে । এটি টেকনাফ থেকে নয় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ।সেন্ট
মার্টিন দ্বীপকে নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও ডাকা হয় বা এটি এই নামে পরিচিত ।
প্রধান আকর্ষণ গুলো হল
স্বচ্ছ নীল সমুদ্র ও উত্তাল সৈকত
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য
সামুদ্রিক মাছ বা সি ফুড
নারিকেল বাগান
মনমুগ্ধকর শান্ত পরিবেশ
সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণের জন্য আপনাকে ( নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি )
মাসের মধ্যে গেলে আপনার ভ্রমণটি সার্থক হবে। কেননা এই সময়টি ভ্রমণের
জন্য উপযুক্ত সময় । সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাওয়ার সবচেয়ে প্রধান উপায় হল
টেকনাফ থেকে জাহাজে যাওয়া । বিগত বছরগুলোতে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য পর্যটক
প্রবেশে কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ।
বিখ্যাত লাল কাঁকড়া বিচ
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এর মধ্যে অন্যতম হলো বিখ্যাত লাল কাঁকড়া বিচ
। প্রকৃতি প্রেমিক বা ফটোগ্রাফি প্রেমিকদের জন্য লাল কাঁকড়া বিচ খুবই আকর্ষণীয়
। এই বিখ্যাত লাল কাঁকড়া বিচ টি সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জনপ্রিয় প্রাকৃতিক
আকর্ষণ । এই বিখ্যাত লাল কাঁকড়া বিচ এর প্রধান আকর্ষণ হল এখানে প্রচুর পরিমাণে
লাল কাঁকড়া দেখা যায় ।
এই স্থানটি বিখ্যাত হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে ,কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ও
প্রধান হলো সৈকত জুড়ে বা সমুদ্রর তীরে প্রচুর পরিমাণে লাল কাঁকড়া দেখা যায় ।
এখানকার পরিবেশ খুবই শান্ত এবং তুলনামূলক কম ভিড় দেখা যায় । এখানকার প্রাকৃতিক
পরিবেশ খুবই সুন্দর । এটি ফটোগ্রাফির জন্য সেরা স্থান । এখানে সূর্যোদয় এবং
সূর্যাস্ত এর সময় দৃশ্যটি খুবই মনোরম ।
কিভাবে যাবেন
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে হেঁটে বা সাইকেলে করে করে যাওয়া যায়
পর্যটক চেরাদ্বীপ ভ্রমণের সঙ্গে লাল কাঁকড়া বিচ ঘুরে দেখেন
ভ্রমণ টিপস
সকাল সকাল বা বিকালে গেলে বেশি কাঁকড়া দেখা যায়
লাল কাঁকড়া গুলোকে বিরক্ত করবেন না ধরা বা মারার চেষ্টা করবেন না
প্লাস্টিক বা অন্য যে কোন প্রকার ময়লা আবর্জনা সমুদ্র সৈকতে ফেলবেন না
সব সময় সতর্ক থাকুন কারণ যে কোন সময় জোয়ার আসতে পারে
কক্সবাজার কোথায় থাকবেন
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এ গিয়ে কোথায় থাকবেন ? এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ,
কারণ সেটা সম্পর্কে আপনার আগের থেকে জানা না থাকলে আপনার অভিজ্ঞতা খারাপ হতে পারে
। এর জন্য আমি নিচে কিছু হোটেল বা রিসোর্ট এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছি -
বাজেট হোটেল (১০০০-২৫০০)
Hotel Sea Crown
Hotel Kollol
Hotel Sea Alif
মিড রেঞ্জ হোটেল (৩০০০-৭০০০)
Long Beach Hotel Cox's Bazar
Prime Park Hotel
Hotel The Cox Today
প্রিমিয়াম রিসোর্ট (৮০০০+)
Sayeman Beach Resort
Ocean Paradise Hotel & Resort
নিরাপদে কক্সবাজার ভ্রমণের সঠিক নির্দেশনা
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এ নিরাপদে ভ্রমণ করতে সতর্কতা এবং নির্দেশনা
ভালোভাবে জানতে হবে ।এসব সঠিক নির্দেশনা বা টিপস যদি না জানা থাকে, তাহলে খুব
সহজেই আপনার ভ্রমণের আনন্দ একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে । এজন্য সঠিক গাইডলাইন
এবং টিপস জেনে বুঝে চললে আপনি ভ্রমণটি খুব সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারবেন ।
নিরাপদে কক্সবাজার ভ্রমণ উপভোগ করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সবসময় মেনে চলা
উচিত ।
সমুদ্রের নামার আগে
সমুদ্রের গোসল করার পূর্বে লাইভ জ্যাকেট পরিধান করুন
সমুদ্রে নামার পূর্বে লাল পতাকা থাকলে সতর্ক থাকবেন
সমুদ্রের নামার পূর্বে বেশি ঢেউ থাকলে, সমুদ্রে গোসল এড়িয়ে চলুন
শিশুদেরকে সব সময় চোখে চোখে রাখুন
শুধুমাত্র লাইভ গার্ড যেখানে আছে সেখানেই গোসল করুন
রাত্রে নিরাপদ কিভাবে থাকবেন
গভীর রাতে সমুদ্র সৈকতে একা ঘোরাঘুরি করবেন না
সমুদ্র সৈকতের আশেপাশে ছোট ছোট দলে থাকবেন না
এসব এলাকায় বেশি জনগণ আছে সেখানে থাকুন
প্রয়োজনে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিন
যানবহন ব্যবহারে সতর্কতা
যেকোনো প্রকার যানবাহনে উঠার পূর্বে ভাড়া মিটিয়ে নিন
রাতে যাতায়াত করলে পরিচিত গাড়ি বা নিরাপদ যানবাহন ব্যবহার করুন
হোটেল নির্বাচন
ভালো রিভিউ রয়েছে, এরকম হোটেলে থাকুন
হোটেল থেকে বের হল, রুম ভালোভাবে ব্লক করুন
মূল্যবান জিনিস থাকলে হোটেলের শেফ ব্যবহার করুন
জরুরী সহায়তা নিন
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এ ভ্রমণ করতে গিয়ে যে কোন প্রকার প্রয়োজন বা সমস্যা
হলে জরুরী সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। যে কোন প্রকার তথ্য বা কিছু
জানার থাকলে সেখানকার টুরিস্ট পুলিশ এর সহায়তা নিতে পারেন। এছাড়া হোটেল বা কোন
অজ্ঞাত ব্যক্তির সাথে ঝামেলা হলে টুরিস্ট পুলিশ এর সাথে যোগাযোগ করতে
পারেন।
ইমারজেন্সি ফোন নাম্বার
জাতীয় জরুরী সেবা (৯৯৯)
ফায়ার সার্ভিস (১০২)
পরিবেশ রক্ষায় করণীয়
কক্সবাজার দর্শনীয় স্থান এ বিপুল সংখ্যক পর্যটক এর কারণে প্রচুর পরিমাণে আবর্জনা
তৈরি হয় । এর ফলে আমাদের পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয় । এই জন্য আমাদের পরিবেশ
রক্ষার জন্য কিভাবে আমরা কাজ করতে পারি তা জানবো ।
সমুদ্র সৈকতে কোন প্রকার পলিথিন বা প্লাস্টিক ফেলবেন না
সামুদ্রিক প্রাণী বা প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি করবেন না
স্থানীয় যেসব নিয়ম-কানুন আছে সেগুলো মেনে চলুন
আপনার সকল অপ্রয়োজনীয় পদার্থ নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন
শেষ কথাঃলেখকের মন্তব্য
উপরে দর্শনীয় যেসব স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে এগুলো আসলে খুবই মনমুগ্ধকর এবং
সুন্দর। এগুলো যেমন সুন্দর এর মধ্যে অনেক বিপদ লুকিয়ে আছে। তাই আমাদের ভ্রমণের
পাশাপাশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হব । আশা করি আমার এই আর্টিকেলটি আপনাকে ভালো
লেগেছে । এ আর্টিকেল সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে জানাতে পারেন এবং
আপনাকে কেমন লেগেছে সেটিও কমেন্ট করে জানাতে পারেন । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
ইলিট বীজ হাব এর সাথে থাকুন ধন্যবাদ ।
Elitebizhub এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url